ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্সি দিয়ে চাকরি: যোগ দিতে এসে গ্রেপ্তার ৩ জন রিমান্ডে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় নিয়োগ পেয়ে যোগদানপত্র জমা দিতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে ধরা পড়া চার আসামির মধ্যে তিনজনকে একদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপর এক আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন মো. রাসেল রানা লিটন, মো. আলী হায়দার এবং মো. মাসুদ ফকির।

এর আগে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার (হিমেল) আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত রবিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরদিন সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এরপর ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ৬ জুলাই নিয়োগপত্র প্রদান করা হয় এবং রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়।

নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হয়। মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে তাদের চেহারা মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হলে মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন যে, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় তারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইডিএফ ঋণের মেয়াদ বাড়লো ২৭০ দিন, নতুন নীতিমালা জারি করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্সি দিয়ে চাকরি: যোগ দিতে এসে গ্রেপ্তার ৩ জন রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০৭:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় নিয়োগ পেয়ে যোগদানপত্র জমা দিতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে ধরা পড়া চার আসামির মধ্যে তিনজনকে একদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপর এক আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন মো. রাসেল রানা লিটন, মো. আলী হায়দার এবং মো. মাসুদ ফকির।

এর আগে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার (হিমেল) আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত রবিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরদিন সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এরপর ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ৬ জুলাই নিয়োগপত্র প্রদান করা হয় এবং রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়।

নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হয়। মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে তাদের চেহারা মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হলে মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন যে, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় তারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং নিয়োগপত্র পেয়েছেন।