রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বিশেষ অনুমোদন সাপেক্ষে ইডিএফ ঋণ পরিশোধের মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো যাবে, যা এতদিন ছিল ১৮০ দিন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইডিএফ পরিচালনার জন্য এতদিন জারি করা বিভিন্ন নির্দেশনাকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত মাস্টার সার্কুলার প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার এই নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়।
নতুন নীতিমালার আওতায়, বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে ৬ মাসের বেঞ্চমার্ক সুদহারের সঙ্গে অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেবে। অন্যদিকে, ব্যাংকগুলো রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে ৬ মাসের বেঞ্চমার্ক সুদহারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ আদায় করতে পারবে।
ইডিএফ সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতার শর্তও কঠোর করা হয়েছে। যেসব রপ্তানিকারক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন করতে ব্যর্থ হয়েছেন অথবা যাদের ইডিএফ দায় ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে, তারা নতুন করে এই সুবিধা পাবেন না। তবে, বকেয়া রপ্তানি আয় দেশে ফিরিয়ে আনলে অথবা ডিসকাউন্ট কমিটির অনুমোদন পেলে তারা আবারও এই সুবিধার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।
সার্কুলারে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র (এলসি) ভিত্তিক আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান খাতভিত্তিক অর্থায়নের সীমা বহাল রাখা হয়েছে, যা খাতভেদে সর্বোচ্চ ২ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত। একইভাবে, বাল্ক আমদানির ক্ষেত্রেও বিদ্যমান অর্থায়ন সীমা অপরিবর্তিত রয়েছে, যা খাতভেদে ১০ লাখ থেকে ২ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত।
এছাড়া, খাত নির্বিশেষে যোগ্য বাল্ক আমদানির জন্য সর্বোচ্চ ৫ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত নতুন ইডিএফ পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে, যেসব রপ্তানিকারক বাল্ক আমদানি এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি—উভয় ব্যবস্থায় আমদানি করেন, তারা কেবল একটি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের জন্য নির্ধারিত অর্থায়ন সীমা ব্যবহার করতে পারবেন।
রিপোর্টারের নাম 






















