ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা বহিষ্কৃত: চান্দগাঁও থানায় মামলা, কারাগারে প্রেরণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আফতাব মজুমদার জয়কে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে আফতাব মজুমদার জয়ের সঙ্গে এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, গত ১৪ জুলাই রাতে চান্দগাঁও থানাধীন ‘সুইট প্যালেস’ হোটেলের ২০৮ নম্বর কক্ষে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন তিনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তীতে তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জয় অস্বীকৃতি জানান এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। খোঁজ নিয়ে ভুক্তভোগী জানতে পারেন যে অভিযুক্ত জয় বিবাহিত। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ জুলাই ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, মামলা দায়েরের পর র‌্যাব-৭ অভিযান চালিয়ে আফতাব মজুমদার জয়কে আটক করে। পরে বুধবার রাতে তাকে চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. আফতাব মজুমদার জয়কে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির দপ্তর সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) রিদুয়ান হৃদয় স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, এনসিপির নীতি, আদর্শ ও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রত্যেক সদস্যের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু আফতাব মজুমদারের বিরুদ্ধে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ ওঠায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ২৩ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এবং এখন থেকে দলের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত বা পরিচয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কম্বোডিয়ায় মানবপাচার: পাসপোর্ট-অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগে মূলহোতা গ্রেপ্তার

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা বহিষ্কৃত: চান্দগাঁও থানায় মামলা, কারাগারে প্রেরণ

আপডেট সময় : ০৮:২৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আফতাব মজুমদার জয়কে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে আফতাব মজুমদার জয়ের সঙ্গে এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, গত ১৪ জুলাই রাতে চান্দগাঁও থানাধীন ‘সুইট প্যালেস’ হোটেলের ২০৮ নম্বর কক্ষে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন তিনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তীতে তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জয় অস্বীকৃতি জানান এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। খোঁজ নিয়ে ভুক্তভোগী জানতে পারেন যে অভিযুক্ত জয় বিবাহিত। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ জুলাই ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, মামলা দায়েরের পর র‌্যাব-৭ অভিযান চালিয়ে আফতাব মজুমদার জয়কে আটক করে। পরে বুধবার রাতে তাকে চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. আফতাব মজুমদার জয়কে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির দপ্তর সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) রিদুয়ান হৃদয় স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, এনসিপির নীতি, আদর্শ ও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রত্যেক সদস্যের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু আফতাব মজুমদারের বিরুদ্ধে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ ওঠায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ২৩ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এবং এখন থেকে দলের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত বা পরিচয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক থাকবে না।