ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

কাসেমিরোকে দলে নিয়ে বিপাকে ইন্টার মিয়ামি: লিগ নিয়ম ভঙ্গের তদন্ত শুরু

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে ভিড়িয়েছে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মিয়ামি। তবে নতুন এই চুক্তির আনন্দের মধ্যেই তদন্তের মুখে পড়েছে লিওনেল মেসির ক্লাব। কাসেমিরোর দলবদলে লিগের নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে মেজর লিগ সকার কর্তৃপক্ষ।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার পর ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো ইন্টার মিয়ামির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ক্লাবটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে এবং চাইলে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত সেই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো যাবে। পাঁচবারের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী এই মিডফিল্ডারের আগমনে মেসি-সুয়ারেজদের দল আরও শক্তিশালী হয়েছে।

তবে চুক্তির ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই এমএলএস জানায়, তারা ইন্টার মিয়ামির বিরুদ্ধে ওঠা ‘ট্যাম্পারিং’ বা অননুমোদিত যোগাযোগের অভিযোগ তদন্ত করছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এমএলএসের ‘ডিসকভারি রাইটস’ নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রাধিকার পায় সেই ক্লাব, যারা আগে তার ডিসকভারি রাইটস নিবন্ধন করেছে। কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল এলএ গ্যালাক্সির হাতে।

ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, এলএ গ্যালাক্সিই এমএলএসের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে যে, প্রয়োজনীয় অধিকার নিজেদের কাছে নেওয়ার আগেই কাসেমিরোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ইন্টার মিয়ামি। যদিও পরে দুই ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে এবং ডিসকভারি রাইটস মিয়ামির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, তবুও অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লিগ কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে এমএলএস জানিয়েছে, ইন্টার মিয়ামির বিরুদ্ধে ওঠা ট্যাম্পারিংয়ের অভিযোগ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না। একই সঙ্গে লিগ জানিয়েছে, ইন্টার মিয়ামি ও এলএ গ্যালাক্সির মধ্যে হওয়া সমঝোতার শর্তও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে প্রকাশ করা হবে না।

তদন্তে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে ইন্টার মিয়ামিকে আর্থিক জরিমানা, ক্ষতিপূরণ কিংবা প্রশাসনিক শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কাসেমিরোর নিবন্ধন বাতিল করা হয়নি এবং প্রয়োজনীয় ভিসা পেলেই তিনি মেসিদের হয়ে মাঠে নামতে পারবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কম্বোডিয়ায় মানবপাচার: পাসপোর্ট-অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগে মূলহোতা গ্রেপ্তার

কাসেমিরোকে দলে নিয়ে বিপাকে ইন্টার মিয়ামি: লিগ নিয়ম ভঙ্গের তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ০৮:২৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে ভিড়িয়েছে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মিয়ামি। তবে নতুন এই চুক্তির আনন্দের মধ্যেই তদন্তের মুখে পড়েছে লিওনেল মেসির ক্লাব। কাসেমিরোর দলবদলে লিগের নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে মেজর লিগ সকার কর্তৃপক্ষ।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার পর ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো ইন্টার মিয়ামির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ক্লাবটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে এবং চাইলে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত সেই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো যাবে। পাঁচবারের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী এই মিডফিল্ডারের আগমনে মেসি-সুয়ারেজদের দল আরও শক্তিশালী হয়েছে।

তবে চুক্তির ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই এমএলএস জানায়, তারা ইন্টার মিয়ামির বিরুদ্ধে ওঠা ‘ট্যাম্পারিং’ বা অননুমোদিত যোগাযোগের অভিযোগ তদন্ত করছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এমএলএসের ‘ডিসকভারি রাইটস’ নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রাধিকার পায় সেই ক্লাব, যারা আগে তার ডিসকভারি রাইটস নিবন্ধন করেছে। কাসেমিরোর ক্ষেত্রে সেই অধিকার ছিল এলএ গ্যালাক্সির হাতে।

ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, এলএ গ্যালাক্সিই এমএলএসের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে যে, প্রয়োজনীয় অধিকার নিজেদের কাছে নেওয়ার আগেই কাসেমিরোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ইন্টার মিয়ামি। যদিও পরে দুই ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে এবং ডিসকভারি রাইটস মিয়ামির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, তবুও অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লিগ কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে এমএলএস জানিয়েছে, ইন্টার মিয়ামির বিরুদ্ধে ওঠা ট্যাম্পারিংয়ের অভিযোগ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না। একই সঙ্গে লিগ জানিয়েছে, ইন্টার মিয়ামি ও এলএ গ্যালাক্সির মধ্যে হওয়া সমঝোতার শর্তও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে প্রকাশ করা হবে না।

তদন্তে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে ইন্টার মিয়ামিকে আর্থিক জরিমানা, ক্ষতিপূরণ কিংবা প্রশাসনিক শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কাসেমিরোর নিবন্ধন বাতিল করা হয়নি এবং প্রয়োজনীয় ভিসা পেলেই তিনি মেসিদের হয়ে মাঠে নামতে পারবেন।