ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ঢাবি লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থীর ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড লাভ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের চারটি শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল ও একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ২৪ জন শিক্ষার্থীকে ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, মেডেল ও উত্তরীয় তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. উপমা কবির। এছাড়াও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য দেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন অধ্যাপক ড. আব্দুল মুত্তালিব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘একটি পুরস্কার কেবল একটি সনদ বা মেডেল নয়; এটি একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের শ্রম, অধ্যবসায়, মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি। এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে আরও উৎকর্ষতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং প্রতিষ্ঠানটি শুধু ডিগ্রি প্রদানই করে না, বরং শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর অবদান রাখছে।

উপাচার্য আরও বলেন, প্রকৃত শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু সার্টিফিকেট অর্জন নয়; অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। তিনি ইনস্টিটিউটে আধুনিক গবেষণাগার, উন্নত যন্ত্রপাতি এবং যুগোপযোগী ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে শিক্ষার্থী ভর্তির হার বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কম্বোডিয়ায় মানবপাচার: পাসপোর্ট-অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগে মূলহোতা গ্রেপ্তার

ঢাবি লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থীর ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড লাভ

আপডেট সময় : ০৮:২৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের চারটি শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল ও একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ২৪ জন শিক্ষার্থীকে ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, মেডেল ও উত্তরীয় তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. উপমা কবির। এছাড়াও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য দেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন অধ্যাপক ড. আব্দুল মুত্তালিব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘একটি পুরস্কার কেবল একটি সনদ বা মেডেল নয়; এটি একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের শ্রম, অধ্যবসায়, মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি। এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে আরও উৎকর্ষতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং প্রতিষ্ঠানটি শুধু ডিগ্রি প্রদানই করে না, বরং শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর অবদান রাখছে।

উপাচার্য আরও বলেন, প্রকৃত শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু সার্টিফিকেট অর্জন নয়; অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। তিনি ইনস্টিটিউটে আধুনিক গবেষণাগার, উন্নত যন্ত্রপাতি এবং যুগোপযোগী ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে শিক্ষার্থী ভর্তির হার বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।