ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার তিতাসে আঙুর চাষে বাজিমাত: সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মোজাম্মেল

ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে শখের বশে আঙুর চাষ শুরু করেছিলেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মোজাম্মেল হক। দীর্ঘ পাঁচ বছরের পরিকল্পনা আর অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে তোলা সেই বাগানে এখন ঝুলছে থোকায় থোকায় আঙুর। জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের শোলাকান্দি এলাকায় গোমতী নদীর তীরে এই আঙুর বাগানটি এখন স্থানীয়দের কাছে বিস্ময় ও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

প্রায় ৩১ শতাংশ জমিতে ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে বালু ও পলিমাটি দিয়ে জমি ভরাট করে এই বাগান গড়ে তোলেন মোজাম্মেল। ঝিনাইদহ থেকে একুনো, ব্ল্যাক ম্যাজিকসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের ১৪৪টি চারার মাধ্যমে তার এই যাত্রা শুরু হয়। চারা রোপণের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় ফলন আসতে শুরু করায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। মোজাম্মেল জানান, একটি আঙুর গাছ দীর্ঘ ৩০ থেকে ৩৫ বছর ফল দিতে সক্ষম, যা বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও পরিবেশবিদরা মনে করছেন, সঠিক তদারকি ও সরকারি সহযোগিতা পেলে এ ধরনের বিদেশি ফলের চাষ দেশে আমদানিনির্ভরতা কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা বাগানটি দেখতে আসছেন এবং অনেকে এমন উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রামের ৪০ পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ, জিও ব্যাগ বরাদ্দ নেই চরাঞ্চলের জন্য

কুমিল্লার তিতাসে আঙুর চাষে বাজিমাত: সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মোজাম্মেল

আপডেট সময় : ০৫:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে শখের বশে আঙুর চাষ শুরু করেছিলেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মোজাম্মেল হক। দীর্ঘ পাঁচ বছরের পরিকল্পনা আর অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে তোলা সেই বাগানে এখন ঝুলছে থোকায় থোকায় আঙুর। জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের শোলাকান্দি এলাকায় গোমতী নদীর তীরে এই আঙুর বাগানটি এখন স্থানীয়দের কাছে বিস্ময় ও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

প্রায় ৩১ শতাংশ জমিতে ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে বালু ও পলিমাটি দিয়ে জমি ভরাট করে এই বাগান গড়ে তোলেন মোজাম্মেল। ঝিনাইদহ থেকে একুনো, ব্ল্যাক ম্যাজিকসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের ১৪৪টি চারার মাধ্যমে তার এই যাত্রা শুরু হয়। চারা রোপণের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় ফলন আসতে শুরু করায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। মোজাম্মেল জানান, একটি আঙুর গাছ দীর্ঘ ৩০ থেকে ৩৫ বছর ফল দিতে সক্ষম, যা বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও পরিবেশবিদরা মনে করছেন, সঠিক তদারকি ও সরকারি সহযোগিতা পেলে এ ধরনের বিদেশি ফলের চাষ দেশে আমদানিনির্ভরতা কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা বাগানটি দেখতে আসছেন এবং অনেকে এমন উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন।