দুই দফা স্বল্পমেয়াদী বন্যার পর কুড়িগ্রাম জেলার প্রায় ৪০টি পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ৩০টি পয়েন্টে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করলেও, চরাঞ্চলের জন্য জিও ব্যাগ বরাদ্দ না থাকায় সেখানকার বাসিন্দারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাজিবপুর, রৌমারী, চিলমারী, ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, উলিপুর, সদর, রাজারহাট এবং ফুলবাড়ী উপজেলার প্রায় ৪০টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙন চলছে। এসব এলাকার অধিকাংশ বাড়িঘর নদীর চরে অবস্থিত। গত এক মাসে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে চিলমারীতে অন্তত ৭০টি, রৌমারীতে প্রায় ১০০টি, তিস্তার ভাঙনে রাজারহাটে ২৫টি এবং দুধকুমারের ভাঙনে নাগেশ্বরীতে প্রায় ১২০টি পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আত্মীয়ের বাড়িতে বা উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার চেষ্টা করছে, তবে তাদের কোনো স্থায়ী আশ্রয়ের নিশ্চয়তা নেই।
ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে হাজার হাজার পরিবার, ফসলি জমি, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ভূমি অফিস, বাজার, নির্মাণাধীন বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, মসজিদ এবং মাদরাসা। এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো বরাদ্দ নেই বলে জানা গেছে, যা চরাঞ্চলের মানুষের জীবনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 



















