ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিনে দুই মাস ধরে বিদ্যুৎহীন ২০ পরিবার, অন্ধকারে মানবেতর জীবন

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামে গত দুই মাস ধরে অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন ২০টি পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক মানুষ। গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড়ে বৈদ্যুতিক লাইন ছিঁড়ে যাওয়ার পর থেকে অদ্যবধি সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, বৈদ্যুতিক লাইনটি এক ব্যক্তির বসতবাড়ির ওপর দিয়ে যাওয়ায় তিনি পুনরায় সংযোগ দিতে বাধা দিচ্ছেন। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করেও স্থানীয় বিরোধের কারণে কাজ শেষ করতে পারেনি। বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন এবং শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে।

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিকল্প উপায়ে সংযোগ দিতে নতুন খুঁটি ও সরঞ্জামের প্রয়োজন, যার খরচ বহন করা দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য দুঃসাধ্য। বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে যাতে দ্রুততম সময়ে গ্রামবাসী বিদ্যুতের আলো ফিরে পান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রামের ৪০ পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ, জিও ব্যাগ বরাদ্দ নেই চরাঞ্চলের জন্য

ভোলার তজুমদ্দিনে দুই মাস ধরে বিদ্যুৎহীন ২০ পরিবার, অন্ধকারে মানবেতর জীবন

আপডেট সময় : ০৫:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামে গত দুই মাস ধরে অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন ২০টি পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক মানুষ। গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড়ে বৈদ্যুতিক লাইন ছিঁড়ে যাওয়ার পর থেকে অদ্যবধি সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, বৈদ্যুতিক লাইনটি এক ব্যক্তির বসতবাড়ির ওপর দিয়ে যাওয়ায় তিনি পুনরায় সংযোগ দিতে বাধা দিচ্ছেন। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করেও স্থানীয় বিরোধের কারণে কাজ শেষ করতে পারেনি। বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন এবং শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে।

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিকল্প উপায়ে সংযোগ দিতে নতুন খুঁটি ও সরঞ্জামের প্রয়োজন, যার খরচ বহন করা দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য দুঃসাধ্য। বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে যাতে দ্রুততম সময়ে গ্রামবাসী বিদ্যুতের আলো ফিরে পান।