ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

মহেশখালীর ঝুঁকিপূর্ণ আদালত ভবন: বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনটি দীর্ঘ এক যুগ ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন জটিলতার কারণে ভবনটি পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় জেলা পরিষদের সরকারি ডাকবাংলোর একটি সংকীর্ণ স্থানে আদালতের কার্যক্রম কোনোমতে চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিচারক, আইনজীবী এবং বিচারপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

১৯৮৪ সালে স্থাপিত এই আদালত ভবনটি ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় ও ১৯৯৯ সালের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একাধিকবার সংস্কার করা হলেও তা টেকসই হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, যা গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করে। ২০১৩ সালে গণপূর্ত বিভাগ ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে। আইন মন্ত্রণালয় তখন আদালতের কার্যক্রম কক্সবাজার সদরে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছিল।

তবে মহেশখালী আইনজীবী সমিতি ও বিচারপ্রার্থীরা আদালতের কার্যক্রম মহেশখালীর মধ্যেই বিকল্প সরকারি ভবনে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে আসছে। এ বিষয়ে এক আইনজীবী উচ্চ আদালতে রিট আবেদন দায়ের করার পর আদালতের কার্যক্রম জেলা সদরে স্থানান্তর হয়নি। ২০১৫ সাল থেকে মহেশখালী সরকারি ডাকবাংলোতেই আদালতের কার্যক্রম চলছে। আইনজীবীদের মতে, বিচারকের আবাসন ব্যবস্থা না থাকা এবং আদালত ভবন পুনর্নির্মিত না হওয়ায় মহেশখালীতে বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে বিচারপ্রার্থীদের প্রায়ই জেলা সদরে যেতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিক্ষোভের পর মুক্তি পেলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সহ কংগ্রেস নেতারা

মহেশখালীর ঝুঁকিপূর্ণ আদালত ভবন: বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৬:০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনটি দীর্ঘ এক যুগ ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন জটিলতার কারণে ভবনটি পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় জেলা পরিষদের সরকারি ডাকবাংলোর একটি সংকীর্ণ স্থানে আদালতের কার্যক্রম কোনোমতে চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিচারক, আইনজীবী এবং বিচারপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

১৯৮৪ সালে স্থাপিত এই আদালত ভবনটি ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় ও ১৯৯৯ সালের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একাধিকবার সংস্কার করা হলেও তা টেকসই হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, যা গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করে। ২০১৩ সালে গণপূর্ত বিভাগ ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে। আইন মন্ত্রণালয় তখন আদালতের কার্যক্রম কক্সবাজার সদরে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছিল।

তবে মহেশখালী আইনজীবী সমিতি ও বিচারপ্রার্থীরা আদালতের কার্যক্রম মহেশখালীর মধ্যেই বিকল্প সরকারি ভবনে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে আসছে। এ বিষয়ে এক আইনজীবী উচ্চ আদালতে রিট আবেদন দায়ের করার পর আদালতের কার্যক্রম জেলা সদরে স্থানান্তর হয়নি। ২০১৫ সাল থেকে মহেশখালী সরকারি ডাকবাংলোতেই আদালতের কার্যক্রম চলছে। আইনজীবীদের মতে, বিচারকের আবাসন ব্যবস্থা না থাকা এবং আদালত ভবন পুনর্নির্মিত না হওয়ায় মহেশখালীতে বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে বিচারপ্রার্থীদের প্রায়ই জেলা সদরে যেতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।