ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিবাহ কেবল একটি সামাজিক বন্ধন নয়, বরং এটি একটি পবিত্র ইবাদত ও মহান আমানত। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিয়ের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা পরিহার করে সামাজিকভাবে তা প্রচার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামে বিয়ের খবর গোপন রাখা অনুচিত; বরং এটি জনসমক্ষে ঘোষণা করা বা প্রচার করা আবশ্যক।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বিয়ের খবর প্রকাশ্যে সম্পন্ন করার এবং তা সমাজকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো বিবাহ বৈধ হওয়ার জন্য অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী এবং কনের অভিভাবকের (ওয়ালী) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। হাদিস অনুযায়ী, অভিভাবক ও সাক্ষী ছাড়া সম্পাদিত বিবাহ শরিয়াহসম্মত নয়।
এছাড়া বিয়ের আনন্দ সবার মাঝে ভাগ করে নিতে এবং সামাজিকভাবে এর স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে ‘ওলিমা’ বা প্রীতিভোজের আয়োজন করা একটি সুন্নাতসম্মত আমল। সামর্থ্য অনুযায়ী আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও অভাবীদের দাওয়াত দেওয়ার মাধ্যমে এই পবিত্র বন্ধনটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে বিয়ের পর ওলিমা করেছেন এবং সাহাবিদেরও তা করার নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দফ বাজিয়ে আনন্দ করারও অনুমতি রয়েছে ইসলামে, যাতে সমাজের মানুষ একটি নতুন পরিবারের সূচনা সম্পর্কে অবগত হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























