জামায়াতে ইসলামীর একজন সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘটনাকে জামায়াত ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলোর জন্য একটি ‘লিটমাস টেস্ট’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরণের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কি দলটির আনুষ্ঠানিক অবস্থানের অংশ কি না এবং কেন এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আবিদ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, রিউমর স্ক্যানার নিশ্চিত করেছে যে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি নয়, বরং এটি বাস্তব। জেলা জামায়াত ভিডিওর নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করলেও বিয়ের তারিখ বা প্রামাণ্য দলিল নিয়ে দলটির বক্তব্যে অস্পষ্টতা রয়েছে। একজন জনপ্রতিনিধির এমন ব্যক্তিগত আচরণ নৈতিকতার ভিত্তি ও দায়বদ্ধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচনের আগেও নারীবিদ্বেষী মনোভাবের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পোস্টে আরও দাবি করা হয়, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ভিডিওতে থাকা মেয়েটি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বিয়ের দাবি সত্য হয়, তবে কেন প্রামাণ্য দলিল বা নিকাহনামা প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই ছাত্রদল নেতা। এছাড়া এ ঘটনায় ছাত্রশিবির বা ছাত্রীসংস্থার নীরবতা ও তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও তিনি কঠোর সমালোচনা করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























