ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

মশিউর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির রূপান্তরের কারিগর: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মশিউর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আমূল পরিবর্তনের প্রধান কারিগর। সমসাময়িক কালের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে তার মধ্যে এক অসাধারণ দূরদর্শিতা ছিল।

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যাদু মিয়া স্মৃতি জাতীয় কমিটি এই সভার আয়োজন করে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, যাদু মিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এতটাই গভীর ছিল যে, তিনি একজন সামরিক কর্মকর্তাকে সফল রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরিত করার গুরুদায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তাতে সফলও হয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে যাদু মিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকার যে কৃতি সন্তানদের কারারুদ্ধ করেছিল, যাদু মিয়া ছিলেন তাদের অন্যতম। ১৯৭৫ পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটে যখন দেশের রাজনৈতিক দলগুলো দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল, তখন তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে পথ দেখিয়েছিলেন।

সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু যাদু মিয়াকে রাজনীতির ‘জাদুকর’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশের রাজনৈতিক কাঠামো গঠনে তার মতো দূরদর্শী নেতার সংখ্যা খুবই নগণ্য। আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার জন্য একটি শক্তিশালী সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা তিনি অনেক আগেই উপলব্ধি করেছিলেন এবং সেই লক্ষ্যেই শহীদ জিয়াউর রহমানকে সাথে নিয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ছড়াকার আবু সালেহ, শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলুসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা যাদু মিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ জয়: মাদ্রিদে স্প্যানিশ বীরদের রাজকীয় সংবর্ধনা, উল্লাসে ভাসল লাখো জনতা

মশিউর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির রূপান্তরের কারিগর: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:২৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মশিউর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আমূল পরিবর্তনের প্রধান কারিগর। সমসাময়িক কালের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে তার মধ্যে এক অসাধারণ দূরদর্শিতা ছিল।

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যাদু মিয়া স্মৃতি জাতীয় কমিটি এই সভার আয়োজন করে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, যাদু মিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এতটাই গভীর ছিল যে, তিনি একজন সামরিক কর্মকর্তাকে সফল রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরিত করার গুরুদায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তাতে সফলও হয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে যাদু মিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকার যে কৃতি সন্তানদের কারারুদ্ধ করেছিল, যাদু মিয়া ছিলেন তাদের অন্যতম। ১৯৭৫ পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটে যখন দেশের রাজনৈতিক দলগুলো দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল, তখন তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে পথ দেখিয়েছিলেন।

সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু যাদু মিয়াকে রাজনীতির ‘জাদুকর’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশের রাজনৈতিক কাঠামো গঠনে তার মতো দূরদর্শী নেতার সংখ্যা খুবই নগণ্য। আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার জন্য একটি শক্তিশালী সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা তিনি অনেক আগেই উপলব্ধি করেছিলেন এবং সেই লক্ষ্যেই শহীদ জিয়াউর রহমানকে সাথে নিয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ছড়াকার আবু সালেহ, শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলুসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা যাদু মিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।