ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

গায়ানায় ভয়াবহ ফেরিডুবি: ২৭ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অন্তত ৮৩

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানা উপকূলে একটি যাত্রীবাহী ফেরি উল্টে অন্তত ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় এখনো ৮৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস। গত শনিবার দিবাগত রাতে ‘এমভি বারিমা’ নামের নৌযানটি রাজধানী জর্জটাউন থেকে এসিকুইবো অঞ্চলের দিকে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতার পরিধি বাড়িয়ে ১ হাজার ৭০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ফরাসি গায়ানা থেকেও বিশেষ ডুবুরি দল ও চিকিৎসক এই উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় নিখোঁজদের জীবিত পাওয়ার আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ১৯৩৯ সালে নির্মিত এই পুরোনো ফেরিটিতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। এছাড়া নৌযানটির দুই ক্রু সদস্যের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, যা দুর্ঘটনার পেছনে বড় কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গায়ানা সরকার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উথলী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ

গায়ানায় ভয়াবহ ফেরিডুবি: ২৭ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অন্তত ৮৩

আপডেট সময় : ০২:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানা উপকূলে একটি যাত্রীবাহী ফেরি উল্টে অন্তত ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় এখনো ৮৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস। গত শনিবার দিবাগত রাতে ‘এমভি বারিমা’ নামের নৌযানটি রাজধানী জর্জটাউন থেকে এসিকুইবো অঞ্চলের দিকে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতার পরিধি বাড়িয়ে ১ হাজার ৭০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ফরাসি গায়ানা থেকেও বিশেষ ডুবুরি দল ও চিকিৎসক এই উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় নিখোঁজদের জীবিত পাওয়ার আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ১৯৩৯ সালে নির্মিত এই পুরোনো ফেরিটিতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। এছাড়া নৌযানটির দুই ক্রু সদস্যের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, যা দুর্ঘটনার পেছনে বড় কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গায়ানা সরকার।