ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিপাকে পারিবারিক বন্ধন: উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় বিবাহবিচ্ছেদের হার বর্তমানে এক উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২০২১ সালে প্রতি হাজার জনসংখ্যায় বিচ্ছেদের হার ছিল শূন্য দশমিক ৭, যা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১ দশমিক ৪-এ। যদিও ২০২৩ সালে এই হার কিছুটা হ্রাস পেয়ে ১ দশমিক ১-এ নেমেছে, তবুও সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পারিবারিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট, বাল্যবিবাহ, অভিবাসন এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল ধরার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে ঢাকা শহরের চিত্রটি বেশ ভয়াবহ, যেখানে প্রতি ৪০ মিনিটে একটি করে তালাকের আবেদন নিবন্ধিত হওয়ার নজির রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে নারীদের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও সচেতনতা তাদের অধিকারের বিষয়ে সোচ্চার করে তুলছে, যা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে একটি প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত সহস্রাধিক

বিপাকে পারিবারিক বন্ধন: উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় বিবাহবিচ্ছেদের হার বর্তমানে এক উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২০২১ সালে প্রতি হাজার জনসংখ্যায় বিচ্ছেদের হার ছিল শূন্য দশমিক ৭, যা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১ দশমিক ৪-এ। যদিও ২০২৩ সালে এই হার কিছুটা হ্রাস পেয়ে ১ দশমিক ১-এ নেমেছে, তবুও সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পারিবারিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট, বাল্যবিবাহ, অভিবাসন এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল ধরার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে ঢাকা শহরের চিত্রটি বেশ ভয়াবহ, যেখানে প্রতি ৪০ মিনিটে একটি করে তালাকের আবেদন নিবন্ধিত হওয়ার নজির রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে নারীদের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও সচেতনতা তাদের অধিকারের বিষয়ে সোচ্চার করে তুলছে, যা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে একটি প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।