ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কেশবপুরে অবৈধ কেমিক্যাল কারখানার বর্জ্যে বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

যশোরের কেশবপুরে একটি অবৈধ কেমিক্যাল কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যের প্রভাবে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য। কারখানার রাসায়নিক মিশ্রিত বর্জ্যে ফসলি জমি, গবাদিপশু এবং গাছপালা ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি দূষিত হচ্ছে মাটি ও পানি। এলাকার বাতাস ও পানিতে ছড়িয়ে পড়া উৎকট দুর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে কারখানাটি বন্ধ এবং এর মালিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে গণআবেদন জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত ৬০টি পরিবার।

অভিযোগে জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি কেশবপুর-ভরতভায়না সড়ক সংলগ্ন খতিয়াখালী গ্রামে কোনো পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই এই কারখানাটি গড়ে তুলেছেন। সেখানে অবৈধভাবে বিভিন্ন রাসায়নিক ও অ্যাসিড ব্যবহার করে লোহার সরঞ্জাম রঙ করার কাজ চলছে। কারখানায় কোনো বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) না থাকায় বিষাক্ত পানি সরাসরি প্রতিবেশীদের আঙিনা ও ফসলি জমিতে মিশছে। বর্ষাকালে এই দূষণ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়, যার ফলে প্রায় ২০ একর জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে। কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, দূষিত পানিতে নামলে তাদের পায়ের চামড়া পুড়ে যাচ্ছে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এলাকার জীববৈচিত্র্য স্থায়ীভাবে ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৮ ধরনের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

কেশবপুরে অবৈধ কেমিক্যাল কারখানার বর্জ্যে বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য

আপডেট সময় : ১০:১৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে একটি অবৈধ কেমিক্যাল কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যের প্রভাবে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য। কারখানার রাসায়নিক মিশ্রিত বর্জ্যে ফসলি জমি, গবাদিপশু এবং গাছপালা ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি দূষিত হচ্ছে মাটি ও পানি। এলাকার বাতাস ও পানিতে ছড়িয়ে পড়া উৎকট দুর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে কারখানাটি বন্ধ এবং এর মালিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবিতে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে গণআবেদন জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত ৬০টি পরিবার।

অভিযোগে জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি কেশবপুর-ভরতভায়না সড়ক সংলগ্ন খতিয়াখালী গ্রামে কোনো পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই এই কারখানাটি গড়ে তুলেছেন। সেখানে অবৈধভাবে বিভিন্ন রাসায়নিক ও অ্যাসিড ব্যবহার করে লোহার সরঞ্জাম রঙ করার কাজ চলছে। কারখানায় কোনো বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) না থাকায় বিষাক্ত পানি সরাসরি প্রতিবেশীদের আঙিনা ও ফসলি জমিতে মিশছে। বর্ষাকালে এই দূষণ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়, যার ফলে প্রায় ২০ একর জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে। কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, দূষিত পানিতে নামলে তাদের পায়ের চামড়া পুড়ে যাচ্ছে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এলাকার জীববৈচিত্র্য স্থায়ীভাবে ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।