ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন ‘মরণফাঁদ’, ভোগান্তিতে চালক ও যাত্রীরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

টানা বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দের। কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ও মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এসব গর্ত এখন চালক ও যাত্রীদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় গর্তের গভীরতা বুঝতে না পেরে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

পরিবহন চালকদের অভিযোগ, খানাখন্দের কারণে প্রায়ই গাড়ির চাকা আটকে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং মাঝেমধ্যেই বিকল হয়ে পড়ছে যানবাহন। দিনের বেলা গর্তগুলো এড়িয়ে চলা সম্ভব হলেও রাতে ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এছাড়া সড়কের বেহাল অবস্থার সুযোগ নিয়ে এলাকায় ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য বাড়ছে বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টানা বৃষ্টি এবং সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় রাস্তাটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটি চলাচলের জন্য পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৮ ধরনের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন ‘মরণফাঁদ’, ভোগান্তিতে চালক ও যাত্রীরা

আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দের। কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ও মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এসব গর্ত এখন চালক ও যাত্রীদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় গর্তের গভীরতা বুঝতে না পেরে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

পরিবহন চালকদের অভিযোগ, খানাখন্দের কারণে প্রায়ই গাড়ির চাকা আটকে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং মাঝেমধ্যেই বিকল হয়ে পড়ছে যানবাহন। দিনের বেলা গর্তগুলো এড়িয়ে চলা সম্ভব হলেও রাতে ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এছাড়া সড়কের বেহাল অবস্থার সুযোগ নিয়ে এলাকায় ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য বাড়ছে বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টানা বৃষ্টি এবং সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় রাস্তাটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটি চলাচলের জন্য পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।