গত বছরের ২১শে জুলাই ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তদন্ত কমিশনের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে দুটি প্রধান কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটির পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণে ঘাটতি ছিল এবং তার গ্রাউন্ড সুপারভাইজার বা অফিসার কমান্ডিংয়ের যথাযথ ও পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব ছিল।
ভয়াবহ এই বিমান দুর্ঘটনার পরপরই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক সচিব এ কে এম জাফর উল্লা খানকে প্রধান করে নয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত শেষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ওই তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয় কমিশন।
তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বিধ্বস্ত বিমানটি উড্ডয়নের আগে এবং সাত মিনিটের উড্ডয়নকালে কী ঘটেছিল তার বিস্তারিত বর্ণনা উঠে এসেছে। বিমান বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সহ অন্যান্য তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনগুলোও সরকারের গঠিত কমিশন পর্যালোচনা করে তাদের প্রতিবেদনে যুক্ত করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিধ্বস্ত ভবনটিতে একটি মাত্র বের হওয়ার পথ বা সিঁড়ি ছিল। বিমানটি ঠিক সেই সিঁড়ির সামনে বিধ্বস্ত হওয়ায় প্রাণহানি বা হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় স্কুলটির ২৮ জন শিশু শিক্ষার্থীসহ যুদ্ধবিমানটির পাইলট, স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিভাবক মিলিয়ে মোট ৩৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পর সেটি নিয়ে তৎকালীন উপদেষ্টা পরিষদে আলোচনা করা হয়েছিল এবং কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে কয়েকটি মন্ত্রণালয়কে দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 






















