ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

জিয়া হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিচার সামরিক আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। সোমবার দুপুরে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন পার্শ্ববর্তী দেশে ছদ্মনামে আত্মগোপনে থাকা মোজাফফর হোসেনকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, একই অপরাধের জন্য দেওয়ানি ও সামরিক—উভয় আইনে আলাদা বিচারের সুযোগ নেই, তাই সেনা আইনেই এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশের সীমান্তে পড়ছে। আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। ওপার থেকে আসা গুলি ও মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে এবং সীমান্ত নিচ্ছিদ্র করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে টানা ১০ রাত মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা

জিয়া হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিচার সামরিক আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। সোমবার দুপুরে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন পার্শ্ববর্তী দেশে ছদ্মনামে আত্মগোপনে থাকা মোজাফফর হোসেনকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, একই অপরাধের জন্য দেওয়ানি ও সামরিক—উভয় আইনে আলাদা বিচারের সুযোগ নেই, তাই সেনা আইনেই এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশের সীমান্তে পড়ছে। আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। ওপার থেকে আসা গুলি ও মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে এবং সীমান্ত নিচ্ছিদ্র করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।