ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি আগস্ট-সেপ্টেম্বরে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু ও পরিচালনার বিষয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে। আগামী আগস্টের শেষ বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর টার্মিনালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার লক্ষ্যমাত্রা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।

সোমবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘সিভিল এভিয়েশন এন্ড এয়ার ট্রাফিক অপারেশন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। তিনি বলেন, টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু হলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের চাপ সামলানো সহজ হবে এবং যাত্রীসেবার মান কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।

কর্মশালায় জানানো হয়, আধুনিক এয়ার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) মানদণ্ড অনুসরণ করে বিমানবন্দর পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া হজযাত্রীদের সেবার মানোন্নয়নে বিমানবন্দর ফি মওকুফসহ নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়। দেশের এভিয়েশন খাতের কারিগরি দিক সম্পর্কে সংবাদকর্মীদের ধারণা দিতেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে টানা ১০ রাত মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি আগস্ট-সেপ্টেম্বরে

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু ও পরিচালনার বিষয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে। আগামী আগস্টের শেষ বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর টার্মিনালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার লক্ষ্যমাত্রা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।

সোমবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘সিভিল এভিয়েশন এন্ড এয়ার ট্রাফিক অপারেশন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। তিনি বলেন, টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু হলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের চাপ সামলানো সহজ হবে এবং যাত্রীসেবার মান কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।

কর্মশালায় জানানো হয়, আধুনিক এয়ার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) মানদণ্ড অনুসরণ করে বিমানবন্দর পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া হজযাত্রীদের সেবার মানোন্নয়নে বিমানবন্দর ফি মওকুফসহ নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়। দেশের এভিয়েশন খাতের কারিগরি দিক সম্পর্কে সংবাদকর্মীদের ধারণা দিতেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।