২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে পর্দা নেমেছে মাসব্যাপী ফুটবল উৎসবের। তবে এই উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কর্মীদের কাজের উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এইচআর সফটওয়্যার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউকেজির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশ্বকাপের কারণে মার্কিন অর্থনীতিতে অন্তত ১ হাজার ১৭০ কোটি ডলার এবং বিশ্বব্যাপী ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের উৎপাদনশীলতার ক্ষতি হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেলা দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক কর্মী অফিস থেকে আগেভাগেই বেরিয়ে যাওয়া, দেরিতে আসা বা কাজ পুরোপুরি বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। গত ৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের দল বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পরদিন ৭ জুলাই দেশটিতে অফিসে উপস্থিতি ২৬ শতাংশ কমে গিয়েছিল, যা সুপার বোলের পরের দিনের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি। শুধু কর্মীদের উপস্থিতিতেই নয়, ক্লায়েন্ট মিটিং, ইন্টারভিউ এবং ভেন্ডর অ্যাপয়েন্টমেন্টের মতো বাহ্যিক পরিদর্শকের সংখ্যাও ৩২ শতাংশ কমে যায়। ওয়ার্কপ্লেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘এনভয়’ এই ঘটনাকে ‘নকআউট টুয়েসডে’ বা ‘নকআউট মঙ্গলবার’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
যেসব ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের দল খেলেছে, সেগুলোতে কর্মীদের অনুপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি ছিল। তবে স্বাগতিক দেশ বিদায় নেওয়ার পর টুর্নামেন্ট যতই উত্তেজনাকর পর্যায়ে পৌঁছেছে, অফিসে উপস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বড় ধরনের কোনো ইভেন্টের কারণে কর্মীদের মনোযোগ নষ্ট হওয়া বা উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে অলিম্পিক গেমস এবং সম্প্রতি ‘বার্বি’ ও ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমাটি মুক্তির সময়েও অফিসে উপস্থিতি কমেছিল। কিছু প্রতিষ্ঠান এই প্রভাব সামলাতে ম্যাচের দিনগুলোতে কর্মীদের দূর থেকে কাজ করার (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) বা অন্যান্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























