ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সরিষাবাড়ীর রাধানগর সানসেট পয়েন্টে খাবারের মান ও অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে পর্যটকদের বিড়ম্বনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নে যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত রাধানগর সানসেট পয়েন্টে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে আসা পর্যটকদের প্রধান অভিযোগ এখানকার খাবারের নিম্নমান এবং মাত্রাতিরিক্ত দাম নিয়ে। আকর্ষণীয় ক্যাটালগ দেখিয়ে সাধারণ মানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুরা।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এখানকার রেস্টুরেন্টগুলোতে মেনু কার্ডে মুখরোচক খাবারের ছবি থাকলেও বাস্তবে পরিবেশিত খাবারের গুণগত মান খুবই নিম্নমানের। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীর চাপ বাড়লে খাবারের মান আরও পড়ে যায়। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে বিক্রেতারা দর্শনার্থীদের সঙ্গে অপেশাদার ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই যমুনা নদীতে কিছু ভাসমান রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হচ্ছে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পর্যটন সম্ভাবনাময় এই স্থানটির সুনাম ধরে রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং খাবারের মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন সচেতন দর্শনার্থীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতখানে মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারে নিখোঁজ অর্ধশতাধিক মহিষ, খামারিদের উদ্বেগ

সরিষাবাড়ীর রাধানগর সানসেট পয়েন্টে খাবারের মান ও অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে পর্যটকদের বিড়ম্বনা

আপডেট সময় : ০৭:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নে যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত রাধানগর সানসেট পয়েন্টে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে আসা পর্যটকদের প্রধান অভিযোগ এখানকার খাবারের নিম্নমান এবং মাত্রাতিরিক্ত দাম নিয়ে। আকর্ষণীয় ক্যাটালগ দেখিয়ে সাধারণ মানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুরা।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এখানকার রেস্টুরেন্টগুলোতে মেনু কার্ডে মুখরোচক খাবারের ছবি থাকলেও বাস্তবে পরিবেশিত খাবারের গুণগত মান খুবই নিম্নমানের। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীর চাপ বাড়লে খাবারের মান আরও পড়ে যায়। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে বিক্রেতারা দর্শনার্থীদের সঙ্গে অপেশাদার ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই যমুনা নদীতে কিছু ভাসমান রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হচ্ছে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পর্যটন সম্ভাবনাময় এই স্থানটির সুনাম ধরে রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং খাবারের মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন সচেতন দর্শনার্থীরা।