ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

করতোয়ার ভাঙন রোধে গোবিন্দগঞ্জে ২৯ লাখ টাকার জিও ব্যাগ ডাম্পিং শুরু

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর পয়েন্টে নদী রক্ষা বাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় এই উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রায় ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ হাজার জিও ব্যাগ ফেলার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনের নির্দেশনায় রোববার দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী এই কাজের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং নদী তীরবর্তী এলাকার কয়েক গ্রামের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, নদীর প্রবল স্রোতে বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে প্রাথমিকভাবে ৫০০টি বালুভর্তি জিও ব্যাগ ওজন পরীক্ষা করে মার্কিং করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি ব্যাগগুলোও নির্দিষ্ট পয়েন্টে ফেলা হবে। এই পদক্ষেপের ফলে চক রহিমাপুরসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়া থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতখানে মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারে নিখোঁজ অর্ধশতাধিক মহিষ, খামারিদের উদ্বেগ

করতোয়ার ভাঙন রোধে গোবিন্দগঞ্জে ২৯ লাখ টাকার জিও ব্যাগ ডাম্পিং শুরু

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর পয়েন্টে নদী রক্ষা বাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় এই উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রায় ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ হাজার জিও ব্যাগ ফেলার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনের নির্দেশনায় রোববার দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী এই কাজের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং নদী তীরবর্তী এলাকার কয়েক গ্রামের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, নদীর প্রবল স্রোতে বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে প্রাথমিকভাবে ৫০০টি বালুভর্তি জিও ব্যাগ ওজন পরীক্ষা করে মার্কিং করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি ব্যাগগুলোও নির্দিষ্ট পয়েন্টে ফেলা হবে। এই পদক্ষেপের ফলে চক রহিমাপুরসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়া থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।