ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সরকারি হাসপাতালই হবে জনগণের প্রধান ভরসা, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোকে জনগণের প্রধান ভরসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, সরকারি হাসপাতালগুলোতে যেন কোনো প্রকার হয়রানি বা ভোগান্তি ছাড়াই সাধারণ মানুষ সহজে চিকিৎসা সেবা পায় এবং গ্রামের মানুষকে যেন চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে না হয়।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের প্রতিও রোগীদের প্রতি আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে বর্তমান সরকারের গত পাঁচ মাসের অর্জন সম্পর্কে জানতে চান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পূর্ববর্তী সরকার স্বাস্থ্যখাতকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, যার ফলে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকার সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসকদের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সন্তোষজনক চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি এই ধরনের গাফিলতির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো মূল্যে গ্রামের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে হবে এবং সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

উপ-প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী কিডনি রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি দেশের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে কিডনি রোগীদের দুর্ভোগ লাঘবের কথা উল্লেখ করেন। যেখানে বর্তমানে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার রয়েছে, সেগুলোকে সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজারে আসার আগেই ফাঁস হলো গুগল পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর নকশা ও ফিচার

স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সরকারি হাসপাতালই হবে জনগণের প্রধান ভরসা, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা

আপডেট সময় : ১১:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোকে জনগণের প্রধান ভরসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, সরকারি হাসপাতালগুলোতে যেন কোনো প্রকার হয়রানি বা ভোগান্তি ছাড়াই সাধারণ মানুষ সহজে চিকিৎসা সেবা পায় এবং গ্রামের মানুষকে যেন চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে না হয়।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের প্রতিও রোগীদের প্রতি আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে বর্তমান সরকারের গত পাঁচ মাসের অর্জন সম্পর্কে জানতে চান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পূর্ববর্তী সরকার স্বাস্থ্যখাতকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, যার ফলে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকার সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসকদের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সন্তোষজনক চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি এই ধরনের গাফিলতির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো মূল্যে গ্রামের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে হবে এবং সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

উপ-প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী কিডনি রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি দেশের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে কিডনি রোগীদের দুর্ভোগ লাঘবের কথা উল্লেখ করেন। যেখানে বর্তমানে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার রয়েছে, সেগুলোকে সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।