ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

জুলাই আন্দোলনে শহীদ নাজিমের মায়ের শোকসন্তপ্ত আর্তি

নেত্রকোনার বারহাট্টার ভাটগাঁও গ্রামের রোস্তম আলী ও শিমুলা আক্তারের একমাত্র ছেলে নাজিম উদ্দিন, যিনি জুলাই আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তার পরিবার আজও গভীর শোক ও বেদনায় আচ্ছন্ন। বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে সহযোগিতা করা হলেও, সন্তান হারানোর অপূরণীয় ক্ষতি তাদের বাকরুদ্ধ করে রেখেছে।

নাজিম উদ্দিন পড়াশোনা করে পরিবারের কষ্ট লাঘব করার স্বপ্ন দেখতেন। বারহাট্টা সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর পরিবারের সাথে দেখা করতে ঢাকায় এসে তিনি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত হন। গত ৫ আগস্ট বিকেলে উত্তরা পূর্ব থানার সামনে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন। একমাত্র আদরের ছেলেকে হারিয়ে মা শিমুলা আক্তার পাগলপ্রায়। তার বাবা-মা, বোন ও ভাগ্নে সকলেই এই অপূরণীয় শোকে কাতর।

শহীদ নাজিমের পরিবার জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, উপজেলা পরিষদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং নাজিমের স্কুলের বন্ধুদের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান ও সহযোগিতা পেয়েছে। কিন্তু এসব সাহায্যও মায়ের বুকফাটা কান্না থামাতে পারছে না। শিমুলা আক্তার আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমার পুতরে কতদিন ধরে দেখি না! আমার পুত কই? এখন কে আমাকে আম্মা বলে ডাকবে? আমি আমার ছেলের শার্ট-প্যান্ট দেখে দেখে সময় কাটাই।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিপফেইক ছবি তৈরি, গ্রক ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে মামলায় এক্সএআই

জুলাই আন্দোলনে শহীদ নাজিমের মায়ের শোকসন্তপ্ত আর্তি

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নেত্রকোনার বারহাট্টার ভাটগাঁও গ্রামের রোস্তম আলী ও শিমুলা আক্তারের একমাত্র ছেলে নাজিম উদ্দিন, যিনি জুলাই আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তার পরিবার আজও গভীর শোক ও বেদনায় আচ্ছন্ন। বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে সহযোগিতা করা হলেও, সন্তান হারানোর অপূরণীয় ক্ষতি তাদের বাকরুদ্ধ করে রেখেছে।

নাজিম উদ্দিন পড়াশোনা করে পরিবারের কষ্ট লাঘব করার স্বপ্ন দেখতেন। বারহাট্টা সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর পরিবারের সাথে দেখা করতে ঢাকায় এসে তিনি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত হন। গত ৫ আগস্ট বিকেলে উত্তরা পূর্ব থানার সামনে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন। একমাত্র আদরের ছেলেকে হারিয়ে মা শিমুলা আক্তার পাগলপ্রায়। তার বাবা-মা, বোন ও ভাগ্নে সকলেই এই অপূরণীয় শোকে কাতর।

শহীদ নাজিমের পরিবার জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, উপজেলা পরিষদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং নাজিমের স্কুলের বন্ধুদের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান ও সহযোগিতা পেয়েছে। কিন্তু এসব সাহায্যও মায়ের বুকফাটা কান্না থামাতে পারছে না। শিমুলা আক্তার আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমার পুতরে কতদিন ধরে দেখি না! আমার পুত কই? এখন কে আমাকে আম্মা বলে ডাকবে? আমি আমার ছেলের শার্ট-প্যান্ট দেখে দেখে সময় কাটাই।’