জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী পাঁচ শহীদ সাংবাদিকের পরিবারকে সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। রোববার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিটি পরিবারকে এক লাখ টাকা ও একটি করে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক, কবি ও গবেষক আবদুল হাই শিকদারের সম্পাদনায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান সোহেল।
আমার দেশ সম্পাদক এবং ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান তার বক্তব্যে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই শহীদেরা যদি অল্প বয়সে জীবন না দিতেন, তবে আমরা স্বাধীনতা ফিরে পেতাম না; আমি আমার নির্বাসনজীবন থেকে ফিরে আসতে পারতাম না। আমি আবার আমার দেশ চালু করতে পারতাম না। কাজেই এদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।” তিনি আরও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, যতদিন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল থাকবে, ততদিন তারা শহীদ পরিবারের পাশে থাকবেন।
মাহমুদুর রহমান জাতিগতভাবে তোষামোদের প্রবণতার সমালোচনা করে বলেন, “একটি সমস্যা আমার মনে হয়, আমরা জাতি হিসেবে তোষামোদ ও তোষামোদি পছন্দ করি। অদ্ভুত আমাদের ন্যাশনাল ক্যারেক্টার। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল এই তোষামোদিতে বিশ্বাস করে না।” এই আয়োজন শহীদ সাংবাদিকদের অবদানকে স্মরণ করার পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে।
রিপোর্টারের নাম 

























