ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

২০২২ বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ১৪০ কোটি টাকার লুটপাট: তথ্য উপদেষ্টা

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচারের নামে বিগত হাসিনা সরকারের আমলে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, সে সময় বিশ্বকাপ দেখানোর অজুহাতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। উপদেষ্টা বলেন, ওই সময় তমা কনস্ট্রাকশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১৪০ কোটি টাকার রহস্যজনক লেনদেন দেখানো হয়েছিল। অথচ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একই কাজ মাত্র ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই ব্যয় আরও কমিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আশা করা হচ্ছে এতে সরকারের কোনো অতিরিক্ত খরচ হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদসহ তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে এমন বিপুল অংকের অর্থ নয়ছয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরা থেকেই হবে প্রথম প্রতিরোধ: নাহিদ ইসলাম

২০২২ বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ১৪০ কোটি টাকার লুটপাট: তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:২৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচারের নামে বিগত হাসিনা সরকারের আমলে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, সে সময় বিশ্বকাপ দেখানোর অজুহাতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। উপদেষ্টা বলেন, ওই সময় তমা কনস্ট্রাকশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১৪০ কোটি টাকার রহস্যজনক লেনদেন দেখানো হয়েছিল। অথচ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একই কাজ মাত্র ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই ব্যয় আরও কমিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আশা করা হচ্ছে এতে সরকারের কোনো অতিরিক্ত খরচ হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদসহ তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে এমন বিপুল অংকের অর্থ নয়ছয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্টরা।