ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

কাপ্তাইয়ে চলতি বছরের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন: হ্রদের পানি বৃদ্ধিতে স্বস্তি

টানা ভারি বর্ষণ এবং উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে কাপ্তাই-কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে চলতি বছরের সর্বোচ্চ ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত হ্রদের পানির স্তর ১০০.৬০ ফুট মিন সি লেভেলে উন্নীত হয়েছে, যা আগের দিন ৯৯.১৫ ফুট মিন সি লেভেলের নিচে ছিল।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। এটি এই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উৎপাদন। এর আগে গত বছর নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেলেও, হ্রদে পানি স্বল্পতার কারণে ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন কমে গিয়েছিল।

কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১, ৩, ৪ এবং ৫ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটি ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এছাড়া ২ নম্বর ইউনিট থেকে ৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৪০ মেগাওয়াট। হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই রেকর্ড দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাকনির্ভর রপ্তানিতে ধাক্কা: যুক্তরাজ্যের বাজারে ধীরগতি

কাপ্তাইয়ে চলতি বছরের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন: হ্রদের পানি বৃদ্ধিতে স্বস্তি

আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

টানা ভারি বর্ষণ এবং উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে কাপ্তাই-কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে চলতি বছরের সর্বোচ্চ ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত হ্রদের পানির স্তর ১০০.৬০ ফুট মিন সি লেভেলে উন্নীত হয়েছে, যা আগের দিন ৯৯.১৫ ফুট মিন সি লেভেলের নিচে ছিল।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। এটি এই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উৎপাদন। এর আগে গত বছর নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেলেও, হ্রদে পানি স্বল্পতার কারণে ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন কমে গিয়েছিল।

কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১, ৩, ৪ এবং ৫ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটি ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এছাড়া ২ নম্বর ইউনিট থেকে ৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৪০ মেগাওয়াট। হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই রেকর্ড দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।