ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি: স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন

টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ইতোমধ্যে সুরমা নদীর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং ছাতক পয়েন্টে তা বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যার আশঙ্কায় জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বিশ্বম্ভরপুর-তাহিরপুর সড়কের একাংশ তলিয়ে যাওয়ায় যানচলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, জগন্নাথপুর উপজেলার বালিশ্রী সড়ক ভেঙে ঢলের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, জেলায় ১৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে নদীর পানি বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা যুদ্ধের প্রভাবে ইসরায়েলে মাদকাসক্তি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি

সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি: স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন

আপডেট সময় : ১২:৪৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ইতোমধ্যে সুরমা নদীর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং ছাতক পয়েন্টে তা বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যার আশঙ্কায় জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বিশ্বম্ভরপুর-তাহিরপুর সড়কের একাংশ তলিয়ে যাওয়ায় যানচলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, জগন্নাথপুর উপজেলার বালিশ্রী সড়ক ভেঙে ঢলের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, জেলায় ১৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে নদীর পানি বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে।