ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

দুই সন্তানকে হত্যার দায়ে কারাবন্দি সালেহা: নির্বিকার ও অনুশোচনাহীন এক মা

গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজের দুই শিশু সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে বর্তমানে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন সালেহা বেগম। তবে কারাগারে তার আচরণ রহস্যজনক ও ভাবলেশহীন। নিজের গর্ভজাত সন্তানদের হত্যার মতো ভয়াবহ অপরাধের পরও তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা বা মানসিক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে না। কারো সাথে কথা বলা বা খাবারের প্রতিও তার কোনো আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা সূত্র জানায়, সালেহা মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তাকে নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নিজের সন্তানদের হত্যার ঘটনার দিন কী ঘটেছিল, তাও তিনি মনে করতে পারছেন না বলে দাবি করেছেন। টঙ্গীর আরিচপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকাকালীন গত বছর বঁটি দিয়ে কুপিয়ে নিজের ছয় বছর বয়সী মেয়ে মালিহা এবং চার বছর বয়সী ছেলে আবদুল্লাহকে হত্যা করেন তিনি। ঘটনার পরদিন পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিলেও কেন তিনি এমনটি করেছেন, তার কোনো স্পষ্ট কারণ জানা যায়নি।

সালেহার পরিবার জানায়, নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তার বিয়ে হয়েছিল এবং তার স্বামী প্রবাসে ছিলেন। কারাগারে তার সাথে স্বজনরা দেখা করতে এলেও তিনি সম্পূর্ণ নির্বিকার থাকেন। কোনো কান্না বা আবেগ তাকে স্পর্শ করে না। চিকিৎসকদের মতে, চরম মানসিক বিকৃতির কারণেই তার মধ্যে এমন অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে তার নিয়মিত চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষায় আনন্দময় পরিবেশ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট: একটি পর্যালোচনা

দুই সন্তানকে হত্যার দায়ে কারাবন্দি সালেহা: নির্বিকার ও অনুশোচনাহীন এক মা

আপডেট সময় : ০৯:২১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজের দুই শিশু সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে বর্তমানে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন সালেহা বেগম। তবে কারাগারে তার আচরণ রহস্যজনক ও ভাবলেশহীন। নিজের গর্ভজাত সন্তানদের হত্যার মতো ভয়াবহ অপরাধের পরও তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা বা মানসিক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে না। কারো সাথে কথা বলা বা খাবারের প্রতিও তার কোনো আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা সূত্র জানায়, সালেহা মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তাকে নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নিজের সন্তানদের হত্যার ঘটনার দিন কী ঘটেছিল, তাও তিনি মনে করতে পারছেন না বলে দাবি করেছেন। টঙ্গীর আরিচপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকাকালীন গত বছর বঁটি দিয়ে কুপিয়ে নিজের ছয় বছর বয়সী মেয়ে মালিহা এবং চার বছর বয়সী ছেলে আবদুল্লাহকে হত্যা করেন তিনি। ঘটনার পরদিন পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিলেও কেন তিনি এমনটি করেছেন, তার কোনো স্পষ্ট কারণ জানা যায়নি।

সালেহার পরিবার জানায়, নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তার বিয়ে হয়েছিল এবং তার স্বামী প্রবাসে ছিলেন। কারাগারে তার সাথে স্বজনরা দেখা করতে এলেও তিনি সম্পূর্ণ নির্বিকার থাকেন। কোনো কান্না বা আবেগ তাকে স্পর্শ করে না। চিকিৎসকদের মতে, চরম মানসিক বিকৃতির কারণেই তার মধ্যে এমন অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে তার নিয়মিত চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।