ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ: ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব শত শত পরিবার

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে নদ-নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মানিকগঞ্জ ও ফেনী জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শত শত পরিবার তাদের শেষ সম্বল ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মানিকগঞ্জের শিবালয় ও দৌলতপুর উপজেলায় যমুনা নদীর ভাঙনে গত এক সপ্তাহে অসংখ্য ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিবছর ভাঙন রোধে সাময়িকভাবে বালুর বস্তা বা জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদী কোনো সমাধান বয়ে আনছে না। তারা দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভাঙন কবলিত এলাকায় স্থায়ী নদীশাসন কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে ফেনীর ছোট ফেনী, মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর ভাঙনেও বিস্তীর্ণ জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও আবাদি জমি হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মানচিত্র থেকে অনেক গ্রাম মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে যাযাবর জীবন যাপন করছে, যাদের পাশে দাঁড়াতে জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করল ইরান

নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ: ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব শত শত পরিবার

আপডেট সময় : ০৬:১৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে নদ-নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মানিকগঞ্জ ও ফেনী জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শত শত পরিবার তাদের শেষ সম্বল ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মানিকগঞ্জের শিবালয় ও দৌলতপুর উপজেলায় যমুনা নদীর ভাঙনে গত এক সপ্তাহে অসংখ্য ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিবছর ভাঙন রোধে সাময়িকভাবে বালুর বস্তা বা জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদী কোনো সমাধান বয়ে আনছে না। তারা দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভাঙন কবলিত এলাকায় স্থায়ী নদীশাসন কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে ফেনীর ছোট ফেনী, মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর ভাঙনেও বিস্তীর্ণ জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও আবাদি জমি হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মানচিত্র থেকে অনেক গ্রাম মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে যাযাবর জীবন যাপন করছে, যাদের পাশে দাঁড়াতে জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রয়োজন।