সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের মামলা ও বিভিন্ন মহলের চাপের মুখেও রাজপথ ছাড়েননি আন্দোলনকারীরা। শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং সরকারের মন্ত্রীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের স্পষ্ট দাবি—২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং কোটা সংস্কারের জন্য জাতীয় সংসদের জরুরি অধিবেশন ডাকতে হবে।
শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রেললাইন অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিবাদ জানান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলার পরও কেন অজ্ঞাতনামা মামলা দেওয়া হলো? তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, মামলা বা হামলার ভয় দেখিয়ে এই অধিকার আদায়ের সংগ্রাম দমন করা সম্ভব নয়।
আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে রোববার সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সারা দেশের শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন। যেখানে ৫ শতাংশ কোটা বহাল রেখে বাকি সব কোটা বাতিলের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং ছাত্র ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
রিপোর্টারের নাম 























