ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ধ্বংসাত্মক হামলা, প্রতিশোধের ঘোষণা আইআরজিসি’র

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযানের দ্বিতীয় পর্বে কুয়েত, বাহরাইনসহ বিভিন্ন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে।

এতে বলা হয়, কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর ওপর ‘ধ্বংসাত্মক ড্রোন’ হামলা চালিয়েছে ইরানি সেনাবাহিনী। যার মধ্যে প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, বাঙ্কার এবং সহায়ক আশ্রয়কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে ইরানের আইআরজিসি কুয়েতের আলি সালেম ও আহমদ আল-জাবের ঘাঁটিতে হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, তারা আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটির জ্বালানি ট্যাঙ্ক ও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটির একটি কৌশলগত এফপিএস রাডার ব্যবস্থা ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস’ করে দিয়েছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ‘চোখের বদলে চোখ’নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযানের তৃতীয় পর্বে নিজেদের বিমান বাহিনী এই হামলাগুলো চালিয়েছে।

এছাড়া, বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরান। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের বিমান বাহিনী হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, একটি পি-৮ বিমান রাখা হ্যাঙ্গার এবং একটি মার্কিন সামরিক ড্রোন কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টারে হামলা চালায়।

আইআরজিসির দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক পদক্ষেপের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও জনগণকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রক্ষা করতে পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃষ্টি থামছে না, আজও ভারী বর্ষণের আভাস

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ধ্বংসাত্মক হামলা, প্রতিশোধের ঘোষণা আইআরজিসি’র

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযানের দ্বিতীয় পর্বে কুয়েত, বাহরাইনসহ বিভিন্ন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে।

এতে বলা হয়, কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর ওপর ‘ধ্বংসাত্মক ড্রোন’ হামলা চালিয়েছে ইরানি সেনাবাহিনী। যার মধ্যে প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, বাঙ্কার এবং সহায়ক আশ্রয়কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে ইরানের আইআরজিসি কুয়েতের আলি সালেম ও আহমদ আল-জাবের ঘাঁটিতে হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, তারা আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটির জ্বালানি ট্যাঙ্ক ও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটির একটি কৌশলগত এফপিএস রাডার ব্যবস্থা ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস’ করে দিয়েছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ‘চোখের বদলে চোখ’নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযানের তৃতীয় পর্বে নিজেদের বিমান বাহিনী এই হামলাগুলো চালিয়েছে।

এছাড়া, বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরান। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের বিমান বাহিনী হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, একটি পি-৮ বিমান রাখা হ্যাঙ্গার এবং একটি মার্কিন সামরিক ড্রোন কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টারে হামলা চালায়।

আইআরজিসির দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক পদক্ষেপের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও জনগণকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রক্ষা করতে পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করবে।