জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হাওয়া। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সম্ভাব্য ইঙ্গিত পাওয়ায় মাঠ গোছাতে শুরু করেছে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন এক মনস্তাত্ত্বিক ও সাংগঠনিক লড়াই। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) তরুণ ভোটারদের আকর্ষণে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের স্থানীয় নির্বাচন দলগুলোর জন্য জনসমর্থন যাচাইয়ের এক বড় পরীক্ষা। তৃণমূল পর্যায়ে জামায়াত তাদের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করায় অনেক আসনেই বিএনপির সঙ্গে তাদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দলগুলো নিয়মিত কর্মী সভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছে, যা রাজশাহীর রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে বড় দলগুলোর পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ভোটের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























