ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

খেলাপি ঋণে জর্জরিত দুর্বল ব্যাংক বন্ধে আইএমএফের চাপ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব

দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমাগত বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণের উচ্চ হার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি প্রশ্ন তুলেছে যে, খেলাপি ঋণের হার ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়া ব্যাংকগুলো কেন এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কেন অবসায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ধারাবাহিক বৈঠকে আইএমএফের প্রতিনিধিদল এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সফররত আইএমএফ প্রতিনিধিদল ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, খেলাপি ঋণ কমানোর কৌশল এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে কেন কঠোর পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে না এবং আর্থিকভাবে ভঙ্গুর ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কেন কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে। তবে এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তাৎক্ষণিকভাবে দিতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বৈঠকে ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের রূপরেখা, অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ (একিউআর), এবং একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচটি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া ব্যাংক রেজল্যুশন আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং নতুন প্রণোদনা কর্মসূচি নিয়েও আইএমএফ প্রতিনিধিরা তথ্য সংগ্রহ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: ১৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

খেলাপি ঋণে জর্জরিত দুর্বল ব্যাংক বন্ধে আইএমএফের চাপ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব

আপডেট সময় : ০৯:২৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমাগত বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণের উচ্চ হার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি প্রশ্ন তুলেছে যে, খেলাপি ঋণের হার ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়া ব্যাংকগুলো কেন এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কেন অবসায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ধারাবাহিক বৈঠকে আইএমএফের প্রতিনিধিদল এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সফররত আইএমএফ প্রতিনিধিদল ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, খেলাপি ঋণ কমানোর কৌশল এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে কেন কঠোর পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে না এবং আর্থিকভাবে ভঙ্গুর ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কেন কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে। তবে এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তাৎক্ষণিকভাবে দিতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বৈঠকে ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের রূপরেখা, অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ (একিউআর), এবং একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচটি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া ব্যাংক রেজল্যুশন আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং নতুন প্রণোদনা কর্মসূচি নিয়েও আইএমএফ প্রতিনিধিরা তথ্য সংগ্রহ করেন।