রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও আনন্দ মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই মিছিল বের করেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮তম সিন্ডিকেট সভায় ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এর মধ্যেই ছাত্রদলের কমিটি গঠন এবং প্রকাশ্যে মিছিল করা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল বলে মনে করছেন তারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর করতে হবে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতাকে ‘রহস্যজনক’ বলে অভিহিত করেছেন অনেক শিক্ষার্থী। তাদের মতে, বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় রাজনৈতিক সংগঠনগুলো পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। অন্যদিকে, বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন দাবি করেন, সুস্থ ধারার ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তারা বদ্ধপরিকর।
রিপোর্টারের নাম 

























