চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশের সড়কগুলোতে ঝরে গেছে ৩৬০ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক পরিসংখ্যান প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মোট ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় এসব শিক্ষার্থী নিহত এবং অন্তত ১০৯ জন আহত হয়েছেন। মিরসরাই ট্রাজেডির ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে সংগঠনটি এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করে।
সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সড়ক নিরাপত্তায় নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচির অভাব এবং যথাযথ তদারকি না থাকায় প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রাণ হারাচ্ছেন। ২০১১ সালের মিরসরাই ট্রাজেডির মতো বড় দুর্ঘটনার পরও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে মাসওয়ারি দুর্ঘটনার চিত্র তুলে ধরে জানানো হয়, মে মাস ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী, যেখানে ৭১টি দুর্ঘটনায় ৭৩ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
সড়কে শিক্ষার্থীদের মৃত্যু কমাতে যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ৫ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—পাঠ্যবইয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা, প্রতি মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। নিরাপদ সড়ক বিনির্মাণে সরকার, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টারের নাম 




















