ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জে বন্যার শঙ্কা: সব পৌরসভার কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল, প্রস্তুত ১৩১১ আশ্রয়কেন্দ্র

সুনামগঞ্জে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলার পাশাপাশি সুনামগঞ্জের চারটি পৌরসভার সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। এমন অবস্থায় জরুরি জনসেবা সচল রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সুরমা নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচে থাকলেও কুশিয়ারা নদীর পানি শাল্লা পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্গতদের জন্য ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত নৌযান ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর পাশাপাশি ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ হিসেবে শুকনা খাবার ও চাল বিতরণ শুরু হয়েছে এবং পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘রংপুর দখলের চিন্তা করলে আমরাও কলকাতা দখল করব’: হুঁশিয়ারি কর্নেল অলির

সুনামগঞ্জে বন্যার শঙ্কা: সব পৌরসভার কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল, প্রস্তুত ১৩১১ আশ্রয়কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলার পাশাপাশি সুনামগঞ্জের চারটি পৌরসভার সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। এমন অবস্থায় জরুরি জনসেবা সচল রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সুরমা নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচে থাকলেও কুশিয়ারা নদীর পানি শাল্লা পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্গতদের জন্য ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত নৌযান ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর পাশাপাশি ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ হিসেবে শুকনা খাবার ও চাল বিতরণ শুরু হয়েছে এবং পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।