ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

খুলনায় কিশোরী নির্জনা হত্যা: আদালতে মায়ের স্বীকারোক্তি, বাবা পলাতক

খুলনায় চাঞ্চল্যকর কিশোরী আরফানা হোসেন নির্জনা (১৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা আরিফা ইয়াসমিন সীমা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পারিবারিক কলহের জেরে নিজের মেয়েকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি প্রদান করেন।

শনিবার সকালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহতের বাবা আলী হোসেন আকাশ পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, নির্জনা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে নিজের পছন্দে বিয়ে করে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছিল। তবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। পুনরায় স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাবা-মায়ের সঙ্গে তার তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবা আকাশ কাঠের বাতা দিয়ে নির্জনার মাথায় আঘাত করেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হলে লাশ বস্তাবন্দি করে ফেলে রাখা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘রংপুর দখলের চিন্তা করলে আমরাও কলকাতা দখল করব’: হুঁশিয়ারি কর্নেল অলির

খুলনায় কিশোরী নির্জনা হত্যা: আদালতে মায়ের স্বীকারোক্তি, বাবা পলাতক

আপডেট সময় : ০৭:১৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

খুলনায় চাঞ্চল্যকর কিশোরী আরফানা হোসেন নির্জনা (১৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা আরিফা ইয়াসমিন সীমা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পারিবারিক কলহের জেরে নিজের মেয়েকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি প্রদান করেন।

শনিবার সকালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহতের বাবা আলী হোসেন আকাশ পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, নির্জনা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে নিজের পছন্দে বিয়ে করে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছিল। তবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। পুনরায় স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাবা-মায়ের সঙ্গে তার তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবা আকাশ কাঠের বাতা দিয়ে নির্জনার মাথায় আঘাত করেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হলে লাশ বস্তাবন্দি করে ফেলে রাখা হয়।