ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: খাল খননের সাশ্রয়ী ৭৩ লাখ টাকা কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় সরকারি প্রকল্পের অর্থ সাশ্রয় করে সততা ও স্বচ্ছতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন। খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর বেঁচে যাওয়া ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন এই কর্মকর্তা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নে তিনটি খালের প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার পুনঃখননের জন্য ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের কাজ চলাকালীন ইউএনও নিয়মিত তদারকি করেন এবং শ্রমিকদের মজুরিসহ অন্যান্য ব্যয় পরিশোধের পর বড় অংকের এই টাকা সাশ্রয় হয়।

ইউএনও দবির উদ্দিনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, প্রশাসনের এমন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ইউএনও জানান, সরকারি অর্থের সঠিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা তার নৈতিক দায়িত্ব। প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখাই তার মূল লক্ষ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘রংপুর দখলের চিন্তা করলে আমরাও কলকাতা দখল করব’: হুঁশিয়ারি কর্নেল অলির

সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: খাল খননের সাশ্রয়ী ৭৩ লাখ টাকা কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

আপডেট সময় : ০৭:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় সরকারি প্রকল্পের অর্থ সাশ্রয় করে সততা ও স্বচ্ছতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন। খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর বেঁচে যাওয়া ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন এই কর্মকর্তা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নে তিনটি খালের প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার পুনঃখননের জন্য ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের কাজ চলাকালীন ইউএনও নিয়মিত তদারকি করেন এবং শ্রমিকদের মজুরিসহ অন্যান্য ব্যয় পরিশোধের পর বড় অংকের এই টাকা সাশ্রয় হয়।

ইউএনও দবির উদ্দিনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, প্রশাসনের এমন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ইউএনও জানান, সরকারি অর্থের সঠিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা তার নৈতিক দায়িত্ব। প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখাই তার মূল লক্ষ্য।