ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে পাটের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত, কৃষকদের মাথায় হাত

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় মৌসুমের শুরুতেই অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে পাটের আবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কৃষকরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন এবং দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এবার খরা ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে তাদের পাট চাষে বিপর্যয় নেমে এসেছে। প্রথমে খরা থাকায় জমিতে রস না থাকায় বীজ বুনতে দেরি হয়। এরপর বৃষ্টি আসার পর পাট চাষ করলেও, অল্প দিনের মধ্যেই ভারী বৃষ্টিতে ক্ষেত পানিতে ডুবে যায়। ফলে অনেক কৃষকেরই পাট গাছ মরে গেছে বা বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের এক কৃষক জানান, তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন, কিন্তু মাত্র এক বিঘা জমির পাট টিকে আছে। কোদালকাটি ইউনিয়নের আরেক কৃষক জানান, তার দুই একর জমির পাটের চারা এক ফুট উঁচু হওয়ার পর থেকেই পানি জমে এক সপ্তাহ ধরে ডুবে ছিল। এতে আগাছা জমে অধিকাংশ পাট গাছ মরে গেছে এবং তার আবাদের অর্ধেকই নষ্ট হয়ে গেছে। রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের এক কৃষক ১০ বিঘা জমির পাটের মধ্যে মাত্র তিন বিঘা রক্ষা করতে পেরেছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের একই ধরনের অভিযোগ। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে একদিকে যেমন পাট গাছ নষ্ট হচ্ছে, তেমনই জমিতে আগাছা জন্মেছে। এতে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা এবং লোকসানের মুখে পড়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুলিয়ারচরে দুর্বৃত্তের হামলায় এক যুবক নিহত, এলাকায় উত্তেজনা

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে পাটের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত, কৃষকদের মাথায় হাত

আপডেট সময় : ১১:০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় মৌসুমের শুরুতেই অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে পাটের আবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কৃষকরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন এবং দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এবার খরা ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে তাদের পাট চাষে বিপর্যয় নেমে এসেছে। প্রথমে খরা থাকায় জমিতে রস না থাকায় বীজ বুনতে দেরি হয়। এরপর বৃষ্টি আসার পর পাট চাষ করলেও, অল্প দিনের মধ্যেই ভারী বৃষ্টিতে ক্ষেত পানিতে ডুবে যায়। ফলে অনেক কৃষকেরই পাট গাছ মরে গেছে বা বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের এক কৃষক জানান, তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন, কিন্তু মাত্র এক বিঘা জমির পাট টিকে আছে। কোদালকাটি ইউনিয়নের আরেক কৃষক জানান, তার দুই একর জমির পাটের চারা এক ফুট উঁচু হওয়ার পর থেকেই পানি জমে এক সপ্তাহ ধরে ডুবে ছিল। এতে আগাছা জমে অধিকাংশ পাট গাছ মরে গেছে এবং তার আবাদের অর্ধেকই নষ্ট হয়ে গেছে। রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের এক কৃষক ১০ বিঘা জমির পাটের মধ্যে মাত্র তিন বিঘা রক্ষা করতে পেরেছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের একই ধরনের অভিযোগ। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে একদিকে যেমন পাট গাছ নষ্ট হচ্ছে, তেমনই জমিতে আগাছা জন্মেছে। এতে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা এবং লোকসানের মুখে পড়েছেন।