ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পবিত্র কোরআনের তাফসীর গ্রন্থ ‘তাফহীমূল কোরআন’ পোড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসান মেহেদী হাসানকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তিনি জানান, পরবর্তীতে আসামির রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পশ্চিম পাশের পাদদেশে সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী রচিত ‘তাফহীমূল কুরআন’ এর তিনটি খণ্ডে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত উৎসুক জনতা ওই যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেন। উত্তেজিত জনতার মারধরে আসামি সামান্য আহত হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় রাজধানীর নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























