ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানালেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানিয়েছেন। ইসরাইলের একটি পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি বর্তমানে আর্জেন্টিনার খেলা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

তবে, নেতানিয়াহুর এই সমর্থনের মূল কারণ মেসির নৈপুণ্য বা আর্জেন্টিনা দলের খেলা নয়, বরং তিনি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট মিলের ভূয়সী প্রশংসা করে তাকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলের ইসরাইল-বান্ধব নীতির প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি, উভয় দেশ ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো কৌশলগত, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। ইসরাইলের প্রতি মিলের ইতিবাচক অবস্থানকে নেতানিয়াহু বারবার সাধুবাদ জানিয়েছেন, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়কে আরও গভীর করার ইঙ্গিত দেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে ছাত্রদলের ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানালেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানিয়েছেন। ইসরাইলের একটি পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি বর্তমানে আর্জেন্টিনার খেলা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

তবে, নেতানিয়াহুর এই সমর্থনের মূল কারণ মেসির নৈপুণ্য বা আর্জেন্টিনা দলের খেলা নয়, বরং তিনি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট মিলের ভূয়সী প্রশংসা করে তাকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলের ইসরাইল-বান্ধব নীতির প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি, উভয় দেশ ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো কৌশলগত, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। ইসরাইলের প্রতি মিলের ইতিবাচক অবস্থানকে নেতানিয়াহু বারবার সাধুবাদ জানিয়েছেন, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়কে আরও গভীর করার ইঙ্গিত দেয়।