ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টির তাণ্ডব: প্রাণহানি ১০, বিপর্যস্ত জনজীবন

মৌসুমি বৃষ্টির তীব্রতায় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ দুর্ভোগ নেমে এসেছে। প্রবল বর্ষণজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার দেশটির বিভিন্ন স্থানে প্রবল বর্ষণে সড়কগুলো পানিতে ডুবে যায়। অনেক এলাকায় মানুষকে হাঁটুপানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যা জনজীবনে চরম দুর্ভোগ এনে দেয়।

বিশেষ করে রাজধানী দিল্লি এবং এর আশপাশের জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে বৃহস্পতিবার কয়েক দফা ভারী বৃষ্টি হয়। এর ফলে একদিকে যেমন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের পর সবচেয়ে পরিষ্কার বাতাসের রেকর্ড গড়েছে দিল্লি, অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা, গাছ উপড়ে পড়া এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

পূর্ব দিল্লি, সাঙ্গাম বিহার, নিউ দিল্লি রেলস্টেশন এলাকা, বুরারি এবং আরও কয়েকটি এলাকায় গুরুতর জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আইটিও, রোহতক রোড এবং মেহরাউলি-বাদারপুর সড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এদিকে, দিল্লির রোহিণীতে বৃষ্টির মধ্যে একটি ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে বলে বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ইস্ট অব কৈলাশ এলাকার রাজা ধীর সিং মার্গে পৃথক দুটি স্থানে দুটি গাছ উপড়ে পড়েছে।

এছাড়া কালকাজি-গোবিন্দপুরি এলাকার গুরু রবিদাস মার্গ, ধিংরা মার্গ এবং রণজিৎ নগরে আরও কয়েকটি গাছ পড়ে যায়। এর মধ্যে একটি গাছ পার্কিংয়ে থাকা একটি গাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। তাই নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস: নির্দেশনা অমান্যকারী কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টির তাণ্ডব: প্রাণহানি ১০, বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

মৌসুমি বৃষ্টির তীব্রতায় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ দুর্ভোগ নেমে এসেছে। প্রবল বর্ষণজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার দেশটির বিভিন্ন স্থানে প্রবল বর্ষণে সড়কগুলো পানিতে ডুবে যায়। অনেক এলাকায় মানুষকে হাঁটুপানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যা জনজীবনে চরম দুর্ভোগ এনে দেয়।

বিশেষ করে রাজধানী দিল্লি এবং এর আশপাশের জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে বৃহস্পতিবার কয়েক দফা ভারী বৃষ্টি হয়। এর ফলে একদিকে যেমন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের পর সবচেয়ে পরিষ্কার বাতাসের রেকর্ড গড়েছে দিল্লি, অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা, গাছ উপড়ে পড়া এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

পূর্ব দিল্লি, সাঙ্গাম বিহার, নিউ দিল্লি রেলস্টেশন এলাকা, বুরারি এবং আরও কয়েকটি এলাকায় গুরুতর জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আইটিও, রোহতক রোড এবং মেহরাউলি-বাদারপুর সড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এদিকে, দিল্লির রোহিণীতে বৃষ্টির মধ্যে একটি ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে বলে বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ইস্ট অব কৈলাশ এলাকার রাজা ধীর সিং মার্গে পৃথক দুটি স্থানে দুটি গাছ উপড়ে পড়েছে।

এছাড়া কালকাজি-গোবিন্দপুরি এলাকার গুরু রবিদাস মার্গ, ধিংরা মার্গ এবং রণজিৎ নগরে আরও কয়েকটি গাছ পড়ে যায়। এর মধ্যে একটি গাছ পার্কিংয়ে থাকা একটি গাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। তাই নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।