ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পাউবো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার প্রাণ হিসেবে পরিচিত গোমতী নদীর দুই পাড় দখলমুক্ত করতে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আদর্শ সদর উপজেলার ঝাঁকুনিপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। দিনভর অভিযানে নদীর তীর ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকান ও ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, গোমতী নদীর দুই পাড়ে মোট ১৪৯টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দিনেই অর্ধেকের বেশি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতিতে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ স্থাপনার কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। নদীকে দখলমুক্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। নদী ও বাঁধের স্থায়ী সুরক্ষায় পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেত্রী চমকের পরিবেশবান্ধব জন্মদিন: সুন্দরবনে ৩০০ ম্যানগ্রোভ রোপণ

কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পাউবো

আপডেট সময় : ১০:২২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার প্রাণ হিসেবে পরিচিত গোমতী নদীর দুই পাড় দখলমুক্ত করতে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আদর্শ সদর উপজেলার ঝাঁকুনিপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। দিনভর অভিযানে নদীর তীর ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকান ও ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, গোমতী নদীর দুই পাড়ে মোট ১৪৯টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দিনেই অর্ধেকের বেশি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতিতে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ স্থাপনার কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। নদীকে দখলমুক্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। নদী ও বাঁধের স্থায়ী সুরক্ষায় পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।