ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

নিকলীতে নিখোঁজের একদিন পর নদী থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর ধনু নদী থেকে সান্ত্বনা (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের পূর্ব টেংগুরিয়া এলাকায় নদীর পানিতে স্থানীয়রা মরদেহটি ভাসতে দেখে উদ্ধার করে। নিহত শিশুটি ওই গ্রামের মো. শাহজাহান মিয়ার দ্বিতীয় কন্যা এবং একটি এনজিও পরিচালিত ভাসমান স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সকাল থেকে সান্ত্বনার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। দিনভর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে নিকলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন সকালে নদীর ঘাট থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

নিহত শিশুর বাবা শাহজাহান মিয়ার দাবি, তার মেয়ে সাঁতার জানত, তাই পানিতে ডুবে মৃত্যু হওয়ার বিষয়টি তার কাছে সন্দেহজনক। এই ঘটনার পেছনে তার আপন ছোট ভাইয়ের পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি মৌখিক অভিযোগ করেছেন। নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৮ ফিলিস্তিনি নিহত, ১৭ আহত

নিকলীতে নিখোঁজের একদিন পর নদী থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর ধনু নদী থেকে সান্ত্বনা (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের পূর্ব টেংগুরিয়া এলাকায় নদীর পানিতে স্থানীয়রা মরদেহটি ভাসতে দেখে উদ্ধার করে। নিহত শিশুটি ওই গ্রামের মো. শাহজাহান মিয়ার দ্বিতীয় কন্যা এবং একটি এনজিও পরিচালিত ভাসমান স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সকাল থেকে সান্ত্বনার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। দিনভর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে নিকলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন সকালে নদীর ঘাট থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

নিহত শিশুর বাবা শাহজাহান মিয়ার দাবি, তার মেয়ে সাঁতার জানত, তাই পানিতে ডুবে মৃত্যু হওয়ার বিষয়টি তার কাছে সন্দেহজনক। এই ঘটনার পেছনে তার আপন ছোট ভাইয়ের পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি মৌখিক অভিযোগ করেছেন। নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।