চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলাগুলোতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এক বিবৃতিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এ তথ্য জানান। তিনি জানান, দুর্যোগকবলিত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ত্রাণমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিতে ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, বান্দরবানে ৫ জন এবং রাঙ্গামাটিতে একজন মারা গেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়ের জন্য কয়েকশ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এসব কেন্দ্রে বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা হয়েছে।
সরকার ইতোমধ্যে দুর্গত জেলাগুলোর জন্য নগদ অর্থ এবং পর্যাপ্ত চাল বরাদ্দ দিয়েছে। নতুন করে চট্টগ্রামের জন্য ২৫ লাখ, কক্সবাজারের জন্য ২০ লাখ এবং অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলার জন্য ১০ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।
পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, খাসজমিতে তাদের জন্য স্থায়ী ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ভবিষ্যতে পাহাড়ধসে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
রিপোর্টারের নাম 




















