ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

‘ইএসজি’ সার্টিফিকেট কোর্স চালু করতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও সুইসকন্টাক্টের চুক্তি

বাংলাদেশের রফতানিমুখী শিল্প খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের উপযোগী পরিবেশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন (ইএসজি) সার্টিফিকেট কোর্স চালু করতে যাচ্ছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। সার্টিফিকেট কোর্স ইএসজির পূর্ণরূপ হচ্ছে—পরিবেশ, সামাজিক এবং সুশাসন।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার (২৩ নভেম্বর) ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে সমঝোতা স্মারক সই করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও সুইসকন্টাক্ট।

এই চুক্তিতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে সই করেন ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং সুইসকন্টাক্টের পক্ষে সই করেন ফারজানা আমিন।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, ইএসএস’র চেয়ারপারসন অধ্যাপক ওয়াশিকুর রহমান খান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিকস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (ইএসএস) বিভাগের অধ্যাপক শহিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক সৈয়দ এ মামুন এবং অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে সুইডেন দূতাবাসের ইনক্লুসিভ ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ইকরামুল এইচ সোহেল, সুইসকন্টাক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন, প্রোগ্রেস প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর সায়েদুল আরেফিন, সিনিয়র অফিসার নওশীন আনজুম এবং সিনিয়র অফিসার সৈয়দা সুহাইমা আহমেদ।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সার্টিফিকেট কোর্সটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ইএসজি ফ্রেমওয়ার্ক, রিপোর্টিং, পরিমাপ, অর্থায়ন এবং ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক কেস স্টাডি সম্পর্কে যুগোপযোগী জ্ঞান। বিভিন্ন কারখানার কমপ্লায়েন্স, মানবসম্পদ ও সাস্টেইনিবিলিটির দায়িত্বে থাকা পেশাজীবীরা এই কোর্সটি করতে পারবেন। সেইসঙ্গে গ্র্যাজুয়েট, উন্নয়নকর্মী, বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ও বায়িং হাউসে কাজ করছেন— এমন কেউও এই কোর্সে অংশ নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।

এই সার্টিফিকেট কোর্সটি সুইসকন্টাক্টের প্রমোটিং গ্রিন গ্রোথ ইন দ্য রেডিমেড গার্মেন্ট সেক্টর থ্রু স্কিলস (প্রোগ্রেস) প্রকল্পের অংশ, যা সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।

 

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চলে ‘সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের’ আত্মপ্রকাশ: মোরশেদ মানিক আহবায়ক, মিলন সদস্য সচিব

‘ইএসজি’ সার্টিফিকেট কোর্স চালু করতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও সুইসকন্টাক্টের চুক্তি

আপডেট সময় : ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের রফতানিমুখী শিল্প খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের উপযোগী পরিবেশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন (ইএসজি) সার্টিফিকেট কোর্স চালু করতে যাচ্ছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। সার্টিফিকেট কোর্স ইএসজির পূর্ণরূপ হচ্ছে—পরিবেশ, সামাজিক এবং সুশাসন।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার (২৩ নভেম্বর) ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে সমঝোতা স্মারক সই করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও সুইসকন্টাক্ট।

এই চুক্তিতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে সই করেন ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং সুইসকন্টাক্টের পক্ষে সই করেন ফারজানা আমিন।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, ইএসএস’র চেয়ারপারসন অধ্যাপক ওয়াশিকুর রহমান খান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিকস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (ইএসএস) বিভাগের অধ্যাপক শহিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক সৈয়দ এ মামুন এবং অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে সুইডেন দূতাবাসের ইনক্লুসিভ ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ইকরামুল এইচ সোহেল, সুইসকন্টাক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন, প্রোগ্রেস প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর সায়েদুল আরেফিন, সিনিয়র অফিসার নওশীন আনজুম এবং সিনিয়র অফিসার সৈয়দা সুহাইমা আহমেদ।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সার্টিফিকেট কোর্সটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ইএসজি ফ্রেমওয়ার্ক, রিপোর্টিং, পরিমাপ, অর্থায়ন এবং ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক কেস স্টাডি সম্পর্কে যুগোপযোগী জ্ঞান। বিভিন্ন কারখানার কমপ্লায়েন্স, মানবসম্পদ ও সাস্টেইনিবিলিটির দায়িত্বে থাকা পেশাজীবীরা এই কোর্সটি করতে পারবেন। সেইসঙ্গে গ্র্যাজুয়েট, উন্নয়নকর্মী, বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ও বায়িং হাউসে কাজ করছেন— এমন কেউও এই কোর্সে অংশ নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।

এই সার্টিফিকেট কোর্সটি সুইসকন্টাক্টের প্রমোটিং গ্রিন গ্রোথ ইন দ্য রেডিমেড গার্মেন্ট সেক্টর থ্রু স্কিলস (প্রোগ্রেস) প্রকল্পের অংশ, যা সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।