ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের দাবি সংসদে

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে জাতীয় সংসদে। নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা সম্প্রতি এই দাবি উত্থাপন করেন।

সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এবং অধিকাংশ মুসলিম পরিবার তাদের সন্তানদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে আগ্রহী। কিন্তু বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তাজবিদভিত্তিক ও বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা প্রদানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারে না, যা অভিভাবকদের অতিরিক্ত ব্যয়ে মক্তব বা ব্যক্তিগত শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি প্রায়শই কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা আরও উল্লেখ করেন, নূরানী ও তালিমুল কোরআন পদ্ধতি শিশুদের শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা প্রদানে একটি পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে দেশব্যাপী স্বীকৃত। এসব পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ অল্প সময়ে শিশুদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত, তাজবিদ এবং মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান প্রদানে সক্ষম। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এমন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়েই প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে এবং ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে তুচ্ছ ঘটনায় বড় ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করল ছোট ভাই

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের দাবি সংসদে

আপডেট সময় : ০৮:১০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে জাতীয় সংসদে। নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা সম্প্রতি এই দাবি উত্থাপন করেন।

সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এবং অধিকাংশ মুসলিম পরিবার তাদের সন্তানদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে আগ্রহী। কিন্তু বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তাজবিদভিত্তিক ও বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা প্রদানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারে না, যা অভিভাবকদের অতিরিক্ত ব্যয়ে মক্তব বা ব্যক্তিগত শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি প্রায়শই কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা আরও উল্লেখ করেন, নূরানী ও তালিমুল কোরআন পদ্ধতি শিশুদের শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা প্রদানে একটি পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে দেশব্যাপী স্বীকৃত। এসব পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ অল্প সময়ে শিশুদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত, তাজবিদ এবং মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান প্রদানে সক্ষম। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এমন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়েই প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে এবং ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক হবে।