ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারে অস্ট্রেলীয় পর্যটককে ধর্ষণচেষ্টা: ৩ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

কক্সবাজারে ভ্রমণরত এক অস্ট্রেলীয় নারী পর্যটককে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় তিন আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক রোকেয়া আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মো. আনছারুল্লাহ, আবদুল গফুর এবং বেলাল উদ্দিন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলীয় নাগরিক অ্যালিসা ব্রুক এলিয়ট বাংলাদেশে ভ্রমণে এসে কক্সবাজারের পেঁচার দ্বীপ এলাকার একটি কটেজে ওঠেন। সেখানে অবস্থানকালে গভীর রাতে আসামিরা কটেজে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ধস্তাধস্তিতে ওই নারী আহত হন এবং পরে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসির ইংরেজি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৩

কক্সবাজারে অস্ট্রেলীয় পর্যটককে ধর্ষণচেষ্টা: ৩ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারে ভ্রমণরত এক অস্ট্রেলীয় নারী পর্যটককে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় তিন আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক রোকেয়া আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মো. আনছারুল্লাহ, আবদুল গফুর এবং বেলাল উদ্দিন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলীয় নাগরিক অ্যালিসা ব্রুক এলিয়ট বাংলাদেশে ভ্রমণে এসে কক্সবাজারের পেঁচার দ্বীপ এলাকার একটি কটেজে ওঠেন। সেখানে অবস্থানকালে গভীর রাতে আসামিরা কটেজে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ধস্তাধস্তিতে ওই নারী আহত হন এবং পরে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক ছিলেন।