ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

দৃষ্টিহীনতাকে জয় করে আত্মমর্যাদার লড়াইয়ে কিশোরগঞ্জের সোহাগ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার সোহাগ মিয়া এক অদম্য জীবনসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। শৈশবে গ্লুকোমায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় পুরোপুরি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেললেও তিনি ভিক্ষাবৃত্তির সহজ পথ বেছে নেননি। বরং নিজের আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে একটি ছোট টং দোকানে পান-চানাচুর বিক্রি করে চার সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সোহাগের এই লড়াই যেমন অনুপ্রেরণার, তেমনি তার যাপিত জীবনের কষ্টগুলোও অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এক সময় চিকিৎসার মাধ্যমে কিছুটা দৃষ্টি ফিরে পেলেও অর্থাভাবে লেন্স পরিবর্তন করতে না পারায় আবারও অন্ধকারের অতলে তলিয়ে গেছেন তিনি। এর চেয়েও বড় আক্ষেপের বিষয় হলো, সরকারি সহায়তার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেও একটি প্রতিবন্ধী কার্ড না পেয়ে শেষ পর্যন্ত অবৈধ পথে অর্থ খরচ করে অন্যের কার্ড সংগ্রহ করতে হয়েছে তাকে।

বর্তমানে পুঁজির অভাবে দোকানে পর্যাপ্ত মালামাল তুলতে পারছেন না তিনি, ফলে আয় কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম সংকটে দিন কাটছে তার। স্থানীয় প্রশাসন ও বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে হয়তো এই হার না মানা মানুষটি আবারও পৃথিবীর আলো দেখার সুযোগ পেতেন এবং সচ্ছলভাবে জীবন অতিবাহিত করতে পারতেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি: জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৬ শতাংশে

দৃষ্টিহীনতাকে জয় করে আত্মমর্যাদার লড়াইয়ে কিশোরগঞ্জের সোহাগ

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার সোহাগ মিয়া এক অদম্য জীবনসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। শৈশবে গ্লুকোমায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় পুরোপুরি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেললেও তিনি ভিক্ষাবৃত্তির সহজ পথ বেছে নেননি। বরং নিজের আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে একটি ছোট টং দোকানে পান-চানাচুর বিক্রি করে চার সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সোহাগের এই লড়াই যেমন অনুপ্রেরণার, তেমনি তার যাপিত জীবনের কষ্টগুলোও অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এক সময় চিকিৎসার মাধ্যমে কিছুটা দৃষ্টি ফিরে পেলেও অর্থাভাবে লেন্স পরিবর্তন করতে না পারায় আবারও অন্ধকারের অতলে তলিয়ে গেছেন তিনি। এর চেয়েও বড় আক্ষেপের বিষয় হলো, সরকারি সহায়তার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেও একটি প্রতিবন্ধী কার্ড না পেয়ে শেষ পর্যন্ত অবৈধ পথে অর্থ খরচ করে অন্যের কার্ড সংগ্রহ করতে হয়েছে তাকে।

বর্তমানে পুঁজির অভাবে দোকানে পর্যাপ্ত মালামাল তুলতে পারছেন না তিনি, ফলে আয় কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম সংকটে দিন কাটছে তার। স্থানীয় প্রশাসন ও বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে হয়তো এই হার না মানা মানুষটি আবারও পৃথিবীর আলো দেখার সুযোগ পেতেন এবং সচ্ছলভাবে জীবন অতিবাহিত করতে পারতেন।